রামেশ্বরপুর গ্রামে পরশের যোদ্ধা

 স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিজয়গড় পরশ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি অনেকদিন আগেই দক্ষিন ২৪ পরগনার রামেস্বরপুর গ্রামে দেখে এসেছিল যে সেখানকার মানুষদের শীতের পোশাক পর্যাপ্ত নেই। সিঙ্ঘভাগ মানুষ দারিদ্র সীমার নিচে থাকেন। 









 গত ২৯ ডিসেম্বর ২০২৪ আমরা এখানে শতাধিক মানুষকে শীতের জামাকাপড়ের সাথে অন্যান্য পোশাক দিয়ে আমাদের সামর্থ্য মতো সাহায্য করেছি। আর্থিক অপ্রতুলতা থাকার জন্য আমাদের সংগঠন বিভিন্ন মানুষের থেকে তাদের ব্যবহার করা পোশাক, শীতের জামা কাপড়, যেগুলো পরিচ্ছন্ন অবস্থায় রাখা আছে, সেইগুলো নিয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলাম ওই প্রান্তিক স্তরের মানুষদের দিকে। 

আমরা দেখেছি, সেখানে অনেক পরিবার রয়েছে, যাদের অর্থের সংস্থান নেই। সামান্য রোজগারে দৈনন্দিন জীবন যাপনের পক্ষে অত্যন্ত কঠিন। তাদের জীবন যাতে স্বাভাবিক ভাবে চলতে পারে এবং তারা যাতে দুবেলা দুমুঠো ভাত পরিবারের মুখে তুলে দিতে পারেন, তার জন্য আমারা চিন্তা ভাবনা করছি।







এক্ষেত্রে যে পারিপার্শ্বিক পরিস্থিতির দরকার হয় সেই পরিস্থিতি আমাদের অনুকুলে থাকবে কিনা সেটাই এখন দেখার। তবে যদি সব ঠিক থাকে, তাহলে আমরা অন্যান্য বেশ কিছু গ্রামে স্বনির্ভর কাজের মাধ্যমে তাদের মাসিক উপার্জনকে উন্নত করার চেষ্টা করব। সেই সাথে গ্রাম গুলোকে মডেল গ্রাম হিসাবে তুলে ধরব। 





বিজয়গড় পরশ সোশ্যাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটির উদ্যোগে এই বস্ত্র বিতরন এবং গ্রামবাসীদের সাথে মত বিনিময় করে তাদের সুখ সাচ্ছন্দের কথা চিন্তা ভাবনা করার জন্য সেখানকারই একটি স্কুল (যেটি স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ের প্রথম স্কুল) আলহেরা অ্যাকাদেমির অধ্যক্ষ তৌহিদ আলি মণ্ডল বিশেষ ভাবে সহযোগিতা করেছেন। তার সাথে ছিলেন রেজাউল করিম।

Comments